Main Menu

ওরা সেলিব্রিটিদের জীবনযাপন সম্পর্কে জানে না : বিপাশা

Sharing is caring!

আইটেম কন্যা হিসেবেই একটা সময় পরিচিতি তৈরি হয়ে যায়। অবশ্য বিপাশা নিজেকে সবখানেই ‘ফিট’ করে নেন। অস্ট্রেলিয়ায় নির্মিত একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন, যেটা এখন ওয়াচোতে প্রচারিত হচ্ছে।

সম্প্রতি মালদ্বীপে গিয়ে বেশ আলোচনার জন্ম দেন সাবেক এই লাক্স তারকা। আলোচনার কারণ তার পোশাক-পরিচ্ছদ, ক্লিভেজ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

একজন লিখেছেন, ইচ্ছা হয় অনেক কিছু বলার; কিন্তু পারি না লোকলজ্জার ভয়ে, মাঝে মাঝে মনে হয় যদি একটা ফেইক আইডি থাকত তাহলে…।’ তার মন্তব্যকে সমর্থন করলেন আরেকজন। আরেক নেটিজেন লিখেছেন, ‘লজ্জা পাইছি। সব কিছু খোলামেলা দেখালেই অনেক লাইক, কমেন্ট পাওয়া যায় এটাই বোঝা যাচ্ছে।’

একজন লিখেছেন ‘বলিউডের নায়িকা হতে চাচ্ছেন নাকি।কিন্তু সেই চেহারাটা তোমার মাঝে নাই। শুধু শুধু হট পোশাক পরে আপমানিত হবেন।’

অবশ্য এসব মন্তব্যে একেবারে বিচলিত নন বিপাশা। মালদ্বীপ থেকে ফিরেছেন শুক্রবার দুপুরে। ফিরেই ক্লান্ত কণ্ঠে বললেন, ‘আসলে যারা আলতু-ফালতু মন্তব্য করে তারা সেলিব্রিটিদের জীবনযাপন সম্পর্কে জানে না। আর তা ছাড়া আমি কি পোশাক পরব না পরব সেটা নিয়ে অন্যের মাথা না ঘামালেই চলবে।

কেন এই মালদ্বীপ সফর? না, কোনো সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের শুটিং নয়, একেবারেই ব্যক্তিগত অবকাশ যাপনের জন্য মালদ্বীপ গিয়েছেন। বিপাশা বললেন, মালদ্বীপে একটু ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম। আর কিছু না, জাস্ট কাজ থেকে একটু ফ্রি হতে চাইছিলাম। বেশ উপভোগ্য সময় ছিল সেটা।

একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন বিপাশা। সবগুলো ছবিতে একাই দেখা গিয়েছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই অভিনয়শিল্পীকে। যার ফলে নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন- কার সঙ্গে গিয়েছেন মালদ্বীপ। এ প্রশ্নটাই করা হয়েছিল বিপাশাকে, বিশেষ কারো সঙ্গে নাকি? হেসে বললেন, ‘বিশেষ কারো সঙ্গে কি না, সেটা সময়ই বলবে।’

বিপাশা কবির মিডিয়ায় আসেন লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় সেরাদের তালিকায় নাম লিখিয়ে। তবে চলচ্চিত্রে তিনি প্রবেশ এবং পরিচিত হয়ে ওঠেন আইটেম গানে অভিনয়ের মাধ্যমে। চলচ্চিত্র ছাড়াও টিভি নাটকে অভিনয় এবং বিজ্ঞাপনে মডেলিং করেছেন বিপাশা। ২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় ১৪তম স্থান অধিকার করেন বিপাশা।

সর্বপ্রথম তিনি রুমানা রশীদ ঈশিতার পরিচালনায় একটি নাটকে অভিনয় করেন। তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক হলো- ইরানী বিশ্বাস পরিচালিত ‘তবুও প্রতীক্ষায়’, হিমু আকরামের ‘জলছাপ’, আলভী আহমেদ পরিচালিত ‘সমীকরণ’, শাহরিয়ার নাজিম জয়ের ‘আর যাবো না এভারেস্ট’, মো. বদরুলের ‘নীল চোখে জোছনা রাত’, হিমু আকরামের ‘জলছাপ’, ইফতেখার আহমেদ ফাহমির ‘ফিফটি ফিফটি’, আখতারুজ্জামানের ‘মহল্লার ভাই’ ইত্যাদি। মডেলিং এবং নাটকে অভিনয়ে নিয়মিত হলেও ভালো গল্পের ভালো চলচ্চিত্রে সব সময়ই আগ্রহী ছিলেন বিপাশা কবির।

শাহীন-সুমন পরিচালিত ‘ভালোবাসার রং’ চলচ্চিত্রে সাইফ খান কালুর কোরিওগ্রাফিতে ‘প্রেম রসিয়া’ আইটেম গানটিতে পারফর্ম করেন বিপাশা।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*