Main Menu

শিল্প-সাহিত্য

রাঢ়বঙ্গের এক ভূমিপুত্রের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস হয়ে ওঠা

বর্ধমান থেকে কাটোয়া মেইল ধরে গেলে রেল লাইনের দুধারে দিগন্ত বিস্তৃত প্রান্তর। চৈত্র বৈশাখে যা রুদ্ররূপ ধারণ করে। বর্ষায় আবার তা দিগন্ত প্রসারী জলের মাতন। বর্ধমান শহর থেকে কুড়ি মাইল দূরত্বের যে যবগ্রাম তা একবারেই পাড়াতলীর গাঁ। কাটোয়া মেইল ধরলে নিগণ স্টেশনে নামতে হয়, ওখান থেকে হাঁটা দূরত্বে যবগ্রাম। রাঢ়বঙ্গের রুক্ষ লাল মাটি। গণগণে আকাশের নিচে ফসলের খেত। চৈত্রের তাপ রুক্ষ জনপদকে তাতিয়ে তুলে। একসময় খরা ছিল সেখানকার নিত্য অনুষঙ্গ। রাঢ়বঙ্গ বলে সমতল নয় মাটি, ঢেউখেলানো অসমতল ভূমিতে জ্যৈষ্ঠের উত্তাপে মাথাল বাদে খেতে দাঁড়িয়ে থাকাও অসম্ভব হয়ে যেত প্রায়। এখানকার লোকের সকাল শুরু হতো ভোরেরও আগে। মধ্য গগণে সূর্য উঠলেবিস্তারিত