Main Menu

হেরে গেলেন মৌসুমী, বিজয়ী মিশা সওদাগর

Sharing is caring!

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে শেষ পর্যন্ত হেরেই গেলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তিনি বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগরের কাছে হেরে যান।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদে আবারো সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মিশা সওদাগর। এবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদ খান।

বাংলাদেশ ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) অন্যতম এই সংগঠনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় শুক্রবার (২৫অক্টোবর) সকাল ৯টায়। মাঝে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকাল ৫টায় ভোট নেয়ার পর্ব শেষ হয়।

শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিটি প্রধান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন সাংবাদিকদের বলেন, ৪৪৯ ভোটের মধ্যে ৩৮৬টি ভোট পড়েছে।

সকালে ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যে ভোটারদের ভিড় বিশেষ ছিল না। তবে দুপুরের পর সরগরম হয়ে ওঠে এফডিসি প্রাঙ্গণ।

মৌসুমী, মিশা সওদাগর, জায়েদ খান, ইলিয়াস কোবরাসহ প্রার্থীরা সকাল থেকেই শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে হাজির ছিলেন।

পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে দুপুরের আগেই এফডিসিতে আসতে থাকেন ফারুক, সোহেল রানা, কাজী হায়াত, রোজিনা, আলীরাজ, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খান, পপি, অনন্ত জলিল, বর্ষাসহ অন্যান্য শিল্পীরা। পুরানো-নতুন অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর চেনা রূপ ফিরে পায় এফডিসি।

এবার নির্বাচনে ২৭ প্রার্থীর মধ্যে ১৮টি পদের নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোটার ছিলেন শিল্পী সমিতির ৪৪৯ জন সদস্য।

নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই এফডিসির নিরাপত্তায় তিন শতাধিক র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে।

নির্বাচিত হওয়ার পর মিশা শওদাগর বলেন, সবার দোয়া ও ভালোবাসায় আবারো জয়ী হতে পেরেছি। চলচ্চিত্রের সব শিল্পী, কলাকুশলীসহ এফডিসিসহ সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। জয়ী হওয়ার পরই আমার প্রথম কাজ হবে ইশেতেহারে যা যা বলেছিলাম তার বাস্তবায়ন ঘটানো। শিল্পীদের সবাইকে নিয়ে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ করে যাব। আমাদের গতবার যে কাজগুলো করা হয়নি সেগুলো এবার পূরণ করবো।

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পীরা যাতে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে, আমরা সেই ব্যবস্থা করব। শিল্পীরা কেউ হারেনি। আমরা আগামীতে যেন বিগত বছরের কাজের গতিটা ধরে রাখতে পারি সবার কাছে এই দোয়াই চাই। শিল্পী সমিতির সকল ভোটারদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তারা আমাদের প্যানেলকে ভালোবেসে ও বিশ্বাস করে আবারও ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন। এবার আমাদের উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার পালা।

ভোটের আগ থেকে উত্তাপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোট হয়েছে সুষ্ঠুভাবেই।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*