Main Menu

হামলাকারীরা হয়তো পুলিশের সঙ্গেই এসেছিল: কাদের সিদ্দিকী

বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। বুধবান রাতে বিএনপির কার্যালয়ে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে দিনের ঘটনাবলি নিয়ে কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।

কার্যালয় ত্যাগের আগে কাদের সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, মিডিয়াতে সারা দিন পল্টন মোড়ে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ভিডিও দেখে যা বুঝেছি তা হচ্ছে, যারা এ হামলা করেছে তারা নির্দ্বিধায় করেছে। এটা সাধারণ মানুষের কাজ নয়। নিশ্চয়ই পুলিশের সঙ্গে সম্পর্ক আছে হামলাকারীদের। তা না হলে নির্দ্বিধায় গাড়িতে এমন হামলা, আগুন লাগাতে পারত না। তারা হয়তো পুলিশের সঙ্গেই এসেছে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও একটি গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষের সময় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের আশায় বুধবার সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের ভিড়ে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। দুপুর ১টার দিকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় সংঘর্ষ বেধে যায়।

কিছুক্ষণ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। পুলিশ মারমুখী হলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন বিএনপি কর্মীরা।

এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের একজনকে আঞ্জুমানে মফিদুলের গাড়িতে করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

বেলা ১টা ৩০ মিনিটে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছিল। এ সময় অনেক নেতাকর্মী দৌড়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে গিয়ে অবস্থান নেন।

ওই সময় কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারাও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছিলেন।