Main Menu

সুরমা নদী খনন করা হলে সিলেট শহরও বন্যামুক্ত থাকবে:মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ১৩ দিনের সফর শেষে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরে নেমে প্রথমে বাসায় যান। এর ঘণ্টাখানেক পর তিনি নগরের বন্যাকবলিত মানুষের খোঁজখবর নিতে যান। সেখানে গিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মেয়র বলেন, সুরমা নদীর খনন ছাড়া কোনোভাবেই বন্যা পরিস্থিতি ঠেকানোর সুযোগ নেই।

বেলা সোয়া ১১টার দিকে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নগরের বন্যাকবলিত তেরোরতন এলাকায় যান। এরপর উপশহর ও সোবহানীঘাটসহ নগরের বিভিন্ন এলাকা তাঁর পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
বন্যার্ত মানুষের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র বলেন, সিটি করপোরেশন নগরবাসীর পাশে আছে। প্লাবিত এলাকার লোকজনের জন্য খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দূর করতে তারা কাজ করছে। পানি না নামা পর্যন্ত দুর্ভোগ কমাতে তিনি নগরবাসীর পাশে দিনরাত থাকবেন বলে আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দুর্যোগময় এই পরিস্থিতিতে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মেয়র।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমি যুক্তরাজ্যে ছিলাম। সফর সংক্ষিপ্ত করে সিলেটে ফিরেই নগরের পানিবন্দী মানুষের পাশে ছুটে এসেছি। বিপাকে পড়া মানুষজন যেন খাবার ও পানির সংকটে না পড়েন, সেটিই আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখছি। এ ছাড়া যেন পানিবাহিত রোগ না ছড়ায়, সে জন্য চিকিৎসক দল কাজ করছে। নগরে একাধিক আশ্রয়কেন্দ্র চালু হয়েছে, প্রয়োজন হলে বাসা ভাড়া নিয়ে হলেও প্লাবিত মানুষদের থাকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মেয়র আরও বলেন, অব্যাহতভাবে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টি হলে সুরমা নদীর খনন ছাড়া কোনোভাবেই সিলেট নগরের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন ধরেই নদী খননের বিষয়টি বলা হচ্ছে। কারণ, সুরমা নদী পানির ধারণক্ষমতা হারিয়েছে। খনন হলে মানুষের এই ভোগান্তি হতো না। অথচ পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলার মনু নদী খনন হওয়ায় মৌলভীবাজার শহর বন্যামুক্ত হয়েছে। সুরমা নদী খনন করা হলে সিলেট শহরও বন্যামুক্ত থাকবে।