Main Menu

সিলেটে নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব

Sharing is caring!

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। লকডাউন শুরুর পর থেকে বাজারে নিত্যপণের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

আর ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইচ্ছে করেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। যেসব পণ্য ক্রয় করার সময় দাম বেশী দিতে হচ্ছে শুধু সেসব পণ্যেই দাম বেড়েছে। এছাড়া রমজান মাস ও লকডাউনকে ইস্যু করে ডিলাররা দাম বৃদ্ধি করে অনেকটা বিপাকে পড়েন ক্রেতরা। লকডাউন বন্ধ না হলে দাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

কালিঘাটের আদিল এন্টারপ্রাইজে আলু প্রতিকেজি ১৬-১৭ টাকা, মুন্সিগঞ্জের আলু প্রতিকেজি ১৫ টাকা, দেশি পেয়াজ ৩৩-৩৪ টাকা, এলসি পেয়াজ প্রতিকেজি ৩৪-৩৫ টাকা, রসুন ১০৫ টাকা প্রতিকেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে। মেসার্স কেডি এন্টারপ্রাইজে এলসি পেয়াজ প্রতিকেজি ৩৩ টাকা, দেশি পেয়াজ ৩২ টাকা, এলসি রসুন প্রতিকেজি ১০০-১০২ টাকা, দেশী রসুন প্রতিকেজি ৫০ টাকা, আল আর প্রতিকেজি ১৬ টাকা, ধনিয়া প্রতিকেজি ৯০ টাকা।

সিলেট চাউল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী ফারুক আহমদ বলেন, চাউলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদেরকে ক্রয় করতে হচ্ছে বেশী টাকা দিয়ে। আমরা চাই ক্রেতাদের নাগালের ভেতরে দাম রাখতে। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। ধান সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে প্রক্রিয়া করণ, ট্রাকে করে আনা-নেয়া, শ্রমিকদের খরচসহ ব্যয় বাড়ার কারণে চাউলের ৫০ কেজি বস্তা প্রতি বিভিন্ন প্রকারভেদে ৩০০-৪৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিয়ানীবাজারের মুদি ব্যবসায়ী আব্দুল আমিন জানান, লকডাউন আর রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। লকডাউনের আগের দিন কালিঘাট থেকে সাড়ে ৩লাখ টাকার যে মাল ক্রয় করেছি আজ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) প্রায় একই মাল ক্রয় করেছি। এতে বেশী দিতে হয়েছে সাড়ে ৮হাজার টাকা। এরমধ্যে ক্রেরিং খরচ রয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ মানার দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল)। সোমবার থেকে শুরু হওয়া লকডাউনের প্রথম দিনে স্বাস্থ্যবিধি পালনে অবহেলা দেখা গেছে। সিলেট নগরীর কালিঘাট এলাকায় মানা হচ্ছে না সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি। যার কারণে কালিঘাট থেকেই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

করোনার দ্বিতীয় দিনে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা থেকে মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকাল থেকে নিত্যপণ্য ক্রয় করে ট্রাকে করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্রেতাদেরও ভিড় বাড়ে কালিঘাটে। সেই সাথে দেখা যায় তীব্র যানজট।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*