Main Menu

সাংবাদিকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাসায় চলে গেলেন সাকিব

Sharing is caring!

বিসিবিকে নিয়ে মন্তব্যের জের ধরে গত দুই দিন ধরেই দেশব্যাপী আলোচনা ও বিতর্কের শীর্ষে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি গণমাধ্যমে এখন হট টপিক তিনি। এর মাঝেই হঠাৎ করে খবর এলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে সোমবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে দেশে ফিরছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সেই উপলক্ষে তার পৌঁছানোর সময়ের (রাত ২টা) আগেই বিমানবন্দরে জড়ো হয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

কিন্তু অপেক্ষারত গণমাধ্যমকর্মীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইতিমধ্যে ঢাকার নিজ বাসায় চলে গেছেন সাকিব আল হাসান। পরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিমানবন্দর সমন্বয়ক ওয়াসিম খান।

বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মী অপেক্ষারত সাংবাদিকদের জানান, আপনারা যার জন্য (সাকিব) অপেক্ষা করছেন সে তো সবার সামনে দিয়েই চলে গেলো। একটি কালো গাড়িতে চড়ে বাসায় চলে গেছেন তিনি।

জানা গেছে, কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করে রাত ২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল সাকিবের। কিন্তু ফ্লাইট বিলম্বের কারণে ২টা ৫ মিনিটে দেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজ না খেলে আইপিএলের জন্য বিবিসি থেকে আগেই ছুটি নিয়ে রেখেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। কিন্তু এর কারণ হিসেবে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান দাবি করেছিলেন, টেস্ট খেলতে চান না সাকিব। তাই তাকে আইপিএল খেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সাকিবের কাছ থেকে এই নিয়ে এতদিন কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

অবশেষে মুখ খুলেছেন তিনি। গত শনিবার (২০ মার্চ) ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকফ্রেঞ্জিতে এক লাইভ আড্ডায় সাকিব বলেন, ‘ছুটির অনুমতি চেয়ে পাঠানো চিঠিটি বিসিবি ঠিকভাবে পড়েনি। সেই চিঠিতে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি যে আমি টেস্ট খেলবো না। এমন কোনো কিছুই সেখানে বলা হয়নি।’

‘আইপিএল খেলা আমার জন্য ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা প্রস্তুতি হবে। তাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া।’

মূলত এরপর থেকেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া তিনি এইচপি, ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটিসহ বিসিবির পুরো সিস্টেমকেই দোষারোপ করেছেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*