Main Menu

যেভাবে সম্পন্ন হবে ব্রেক্সিট

ব্রেক্সিট নিয়ে বৃটিশ রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে। প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে এক কঠিন সময় পাড় করছেন। এরই মধ্যে ১৪ই নভেম্বর তিনি ব্রেক্সিট নিয়ে খসড়া চুক্তি উত্থাপন করার পর তার মন্ত্রীপরিষদ তা অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু এর পরেই বড় ধাক্কা লাগে তার প্রশাসনে। চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠি দেয়া হয়। একে অনেকে রাজনীতিতে ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এখন প্রশ্ন হলো ব্রেক্সিটের পরবর্তী ধাপগুলো কি হবে এবং বৃটেন কি ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে কিছু আদায় করে আনতে পারবে না কি শূন্য হাতে ফিরতে হবে তাদের।
অনলাইন বিবিসির মতে, এরই মধ্যে ৫ জন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’কে সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। খসড়া চুক্তি সংশোধন করবেন তারা। এরপর ২৫ শে নভেম্বর ওই খসড়া চুক্তি অনুমোদনের জন্য জমা দেয়া হবে ইউরোপিয় ইউনিয়নের কারছে। এ নিয়ে এ বছর ডিসেম্বরে বৃটিশ পার্লামেন্টে ভোট হবে। সেই ভোটে যদি সরকার হেরে যায় তাহলে তাদের সামনে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার জন্য একটি পুরো নতুন পরিকল্পনা করতে সময় থাকবে মাত্র ২১ দিন। আর যদি পার্লামেন্টে অনুমোদন হয় খসড়া বিল তাহলে ২০১৯ সালের শুরুতে ইউরোপিয় ইউনিয়ন উইথড্রয়াল এগ্রিমেন্ট বিল উত্থাপন করা হবে। যদি সেখানে বিলটি প্রত্যাখ্যাত হয় তাহলে বৃটিশ সরকারের সামনে চারটি উপায় থাকবে। এক হলো কোনো চুক্তি ছাড়া ইউরোপিয় ইউনিয়ন ছাড়তে হবে। দুই. নতুন মকরে সমঝোতা শুরু করতে হবে। তিন, জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। চার. গণভোট দিতে হবে। আর যদি ইউরোপিয় ইউনিয়ন উইথড্রয়াল এগ্রিমেন্ট বিল পাস হয় তাহলে তা পাস করতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট প্রয়োজন হবে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে। ইউরোপিয় ইউনিয়নের কমপক্ষে শতকরা ৬৫ ভাগ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে এমন ২০টি দেশের অনুমোদন লাগবে। যখন এসব নিশ্চিত হয়ে যাবে তখন ২০১৯ সালের ২৯ শে মার্চ ইউরোপিয় ইউনিয়ন ছাড়বে বৃটেন। এ সময়ে শুরু হবে অন্তর্বর্তীকালীন সময়। তা স্থায়ী হবে