Main Menu

যুবরাজের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ

Sharing is caring!

সৌদি যুবরাজসহ ব্যবসায়ীর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। অ্যান ওল্ড ডিপ্লোমেট নামেই একটি টুইটার বার্তায় এ প্রসঙ্গে বেশ কয়েকটি নথি প্রকাশ করা হয়। নাথি থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়ার খবর জানা যায়।
ওই টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়েছে যে, বেশ কয়েকজন যুবরাজ এবং ব্যবসায়ীর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ব্যবসায়ী এবং যুবরাজদের বিরুদ্ধে বড় ধরণের একটি অভিযান চালানো হয়েছিল। তখন বেশ কয়েকজনকে রিটজ শার্লটন হোটেলে বন্দি করা হয়েছিল। বন্দিদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

ওই টুইটার অ্যাকাউন্টে বলা হয়েছে যে, রিয়াদের উত্তরে অবস্থিত যুবরাজ শেখ আজলান আল আজলানের বিশাল এলাকাজুড়ে থাকা জমি বাজেয়াপ্ত করেছেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

ওই জমি বিক্রির চেষ্টা করছিলেন যুবরাজ শেখ আজলান আল আজলান। কিন্ত তাকে ওই সম্পদ বিক্রি থেকে বাধা দেয়া হয় এবং পরে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়।

অপর এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, যুবরাজ হামাদ বিন সাইদানের সম্পদও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রিয়াদ আল মুস্তাকবাল রিয়েল ইস্টেট, আবদুল রাহমান আল শেখ এবং মোহাম্মদ আল আইদানের সম্পদও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ওলায়া রিয়েল ইস্টেট কোম্পানি, ইউনিস মোহাম্মদ আল আওয়াদ, ইব্রাহিম বিন সাইদান এবং ইব্রাহিম আল হারাবি নামের বেশ কয়েকটি রিয়েল ইস্টেট কোম্পানির সম্পদ বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়া বাদশাহ সালমানের ভাই প্রিন্স বদর বিন আবদুল আজিজের সম্পদও বাজেয়াপ্ত করা হবে। ওই তালিকায় প্রিন্স মুসা, আদিল আল মুসা এবং সালেহ সুকাইরের নামও রয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের নভেম্বরে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সৌদি যুবরাজ ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে অনেক যুবরাজের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তাদের দীর্ঘদিন সৌদির বিখ্যাত রিটজ শার্লটন হোটেলে বন্দি করে রাখা হয়।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*