Main Menu

মাতৃমৃত্যু কমাতে ইমামরাই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ বলেছেন, বাংলাদেশে মাতৃস্বাস্থ্যের সামগ্রিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। অতীতে মাতৃমৃত্যুর হার লাখে পাঁচশোজন ছিলো। সেটা কমে এখন ১৬৪ জনে এসেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৭০-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতারা এগিয়ে আসতে হবে।

শনিবার (৪ জুন) ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপি নিরাপদ মাতৃত্ব বিষয়ক সিলেট বিভাগীয় এডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেটের পরিচালক আবু ছিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি সিলেটের উপপরিচালক শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ সিলেটের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. কুতুব উদ্দিন, সিলেট বিভাগীয় সহকারী পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. নূরে আলম শামীম, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান, ঢাকাস্থ ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক আনিসুজ্জামান শিকদার, ইউনিসেফ সিলেট অফিসের প্রধান হেলথ অফিসার ডা. মির্জা মোহাম্মদ এলাহী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিনিয়র সাংবাদিক আল-আজাদ, সিলেট বৌদ্ধ বিহারের ধর্মীয় প্রধান সাংহানন্দ থেরো, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন, মুফতি আবুল হাসান ও সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব।

দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা বলেন, মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে হলে প্রতিষ্ঠানে ডেলিভারি বাড়াতে হবে।

তারা বলেন, নিরাপদ মাতৃত্ব একজন মায়ের অধিকার। এ অধিকার রক্ষায় সরকার ও উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনগুলো কাজ করে যাচ্ছে। একটি দক্ষ জাতি গড়ে তুলতে হলে সর্বাগ্রে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে। মা যদি সুস্থ থাকেন, সুস্থভাবে সন্তান প্রসব করতে সক্ষম হন, তবেই জাতি পাবে একটি সুস্থ প্রজন্ম। যারা আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে।