Main Menu

মেজর হাফিজ ও শওকতকে শোকজ

বিএনপিতে হচ্ছেটা কি?

Sharing is caring!

বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ও শওকত মাহমুদকে শোকজ করার মধ্য দিয়ে দলটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে যে গৃহবিবাদ চলছিল, তা অনেকটাই প্রকাশ হয়ে পড়লো। আগাম কোনো আভাস ছাড়া হঠাৎ করেই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ওই দুই নেতাকে শোকজ দেয়ায় এমনটিই মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা। দলটি ২০০৬ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষমতার মসনদে নেই। মাঠের আন্দোলনে না থাকলেও সংসদে সীমিত সংখ্যক আসন নিয়ে তারা জানান দিচ্ছেন, ‘দলটি রাজনীতিতে আছে’। বিএনপিপ্রধান বেগম খালেদা জিয়া এতদিন কারাগারে থাকলেও এখন সরকারের নির্বাহী আদেশে বিভিন্ন শর্তে বাইরে রয়েছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশান্তরী। এই মূল দুই নেতার অনুপস্থিতিতে দলে নেই কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলা। যিনি যখন যা মনে করেন, তখন তা ওই মূল দুই নেতার নামে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতা শাহ মোহাজ্জম হোসেন ও ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর কয়েকদিন আগে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দলে ‘নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। তখন এ ব্যাপারে দলের পক্ষ থেকে মেজর (অব.) হাফিজের রিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানা যায়নি। এমনভাবে প্রকাশ্যে না বললেও দলের হাইকমান্ডের বিরুদ্ধে আড়ালেআবডালে অভিযোগ দাঁড় করাতে কার্পণ্য করছেন না দলেরই আরো অনেক কেন্দ্রীয় নেতা। তাদের অনেককেই অভিযোগ করতে দেখা যায় একে অপরের বিরুদ্ধেও।
এমন এক পরিস্থিতিতে গত সোমবার হঠাৎ কী কারণে মেজর (অব.) হাফিজ ও শওকত মাহমুদকে শোকজ করা হয়েছে, তা বলছেন না দলের নীতিনির্ধারকরা। তারা শুধু জানান, ‘দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকান্ডের সঙ্গে তারা জাড়িত বলেই তাদের শোকজ করা হয়েছে’। তবে এই শোকজ নোটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশ হবার পর দলটির নেতাকর্মীসহ রাজনৈতিক অঙ্গণে নানান ধরণের গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে। কেউ বলেছেন, দলের মধ্যে ভাঙ্গন ধরানোর জন্য একটি অদৃশ্য শক্তি দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে যাচ্ছে। হয়তোবা এ শক্তির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে! এমন কিছু আঁচ করতে পেরে বিএনপির হাইকমান্ড এ দু’নেতাকে শোকজ করেছেন। হাইকমান্ডের অনুমান, এর সঙ্গে দলের অন্যরাও জড়িত থাকতে পারে। এ কারণে এ দু’শীর্ষ নেতাকে শোকজের মাধ্যমে অপরদেরও সর্তক করা হলো বলে দলের এক সিনিয়র নেতা জানান।
বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর সোমবার পল্টন-গুলিস্তান এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীরা যে বিক্ষোভ করে, তা হাইকমান্ডের অবগতির বাইরে। একইসঙ্গে এই বিক্ষোভের বিষয়টিও রহস্যজনক বলে মনে করছেন তারা। দলের হাইকমান্ড এমন কার্যক্রম পছন্দ করেননি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার বিকেলে বাংলা মেইলকে বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। অফিসে গিয়ে খোঁজ নেন’। একই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি জানলেও কথা বলব না। এ বিষয়ে কথা বলবেন পার্টির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হচ্ছেন দলের মুখপাত্র’।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, উনাদের (মেজর হাফিজ ও শওকত মাহমুদ) কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দলের নাম ব্যবহার ও নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করে সংগঠনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকা-ের অভিযোগ আনা হয়েছে। শওকত মাহমুদকে ৭২ ঘণ্টা এবং হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে পাঁচ দিনের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে’। তার স্বাক্ষরেই এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘এর বাইরে আমি কিছু বলতে পারবো না। দলের হাইকমান্ড ভালো জানেন’।
অপরদিকে শোকজের বিষয় জিজ্ঞাসা করা হলে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলা মেইলকে বলেন, ‘আমি শোকজ লেটার পেয়েছি। আগামী দু’একদিনের মধ্যে আমি সংবাদ সম্মেলন করব। সেখানেই আমার বক্তব্য আমি দেবো।’ এক্ষেত্রে দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা আসবে কি না জানতে চাইলে মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, ‘চিন্তা-ভাবনা করছি। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে’। তবে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ শোকজের জবাব দেবেন বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন। শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট হয়ে হাইকমান্ড অনুমতি দিলে আগের মতোই দলের সাংগঠনিক কাজে মনোনিবেশ করবেন তিনি। তবে মোবাইলে কল করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শওকত মাহমুদকে পাওয়া যায়নি। এজন্য এ সম্পর্কে তার কোনো বক্তব্য জানা যায়নি। শওকত মাহমুদের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, ওই দিন কী করতে চেয়েছিলেন, তা শোকজের জবাবী চিঠিতে তুলে ধরবেন তিনি। তবে ‘তিনি ভুল করেছেন এবং এজন্য ক্ষমা চাইবেন’- শওকত মাহমুদ এমনটি নাও করতে পারেন বলে ওই ঘনিষ্ঠরা বাংলা মেইলকে জানিয়েছেন।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ‘তৃতীয় শক্তির উত্থান প্রক্রিয়ার’ সঙ্গে জড়িত থাকা এবং সময়ে সময়ে দলের শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিরোধী বক্তব্য রাখার অভিযোগে ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব) হাফিজকে শোকজ করা হয়েছে। এই নেতার বিরুদ্ধে দলের অভিযোগ, বিএনপির ভেতরে থেকে বিএনপিরই ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন তিনি। বিশেষ একটি গোষ্ঠীর পক্ষ হয়ে ‘সরকারের পতনের’ কর্মকা-ের পাশাপাশি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে মাইনাস করে দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনিসহ আরো কয়েক নেতা। বিশেষ করে ১/১১ সময়ে যেসব নেতা দলের মূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গিয়ে সংস্কার প্রস্তাব এনেছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ এবং ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের একটি অংশ এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি তাদের নেতৃত্বে বিভিন্ন ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবসহ নানা স্থানে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও গোপন বৈঠকসহ বেশকিছু কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচির দুএকটিতে শওকত মাহমুদকেও দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি এসব প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। তার শোকজ নোটিশ পাওয়ার পেছনে কুমিল্লার রাজনীতির যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে সূত্রটি। সূত্রটির মতে, শওকত মাহমুদের বাড়ি বৃহত্তর কুমিল্লায়। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনর বাড়িও সেই জেলাতেই। দলের সিনিয়র নেতা হওয়ায় ড. মোশাররফ একচ্ছত্রভাবে কুমিল্লার রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান। সেই জেলার কেউ বিএনপির রাজনীতিতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন, এমন সম্ভাবনা দেখলেই ওই ব্যক্তির ওপর খড়গহস্ত হন। বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতার দাপটে টিকতে না পেরে জিয়াউর রহমান পরিবারের ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া অবশেষে আওয়ামী লীগে ঠাঁই নিতে বাধ্য হয়েছেন। শওকত মাহমুদ বিএনপির রাজনীতিতে ধীরে ধীরে নিজের একটা অবস্থান সৃষ্টি করে নিয়েছেন। দলের পক্ষে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের আয়োজনের পেছনেও রয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে টিভি টকশোতেও সমানভাবে অংশ নিয়ে দলের বক্তব্য উপস্থাপন করছেন। এজন্য দলের দেশান্তরি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুনজরও রয়েছে তার ওপর। অনেকেই মনে করছেন, দলে যেন শওকত মাহমুদ আর এগুতে না পারে এজন্য এই শোকজ দেয়া হয়েছে। এর পেছনে ওই প্রভাবশালী নেতা কলকাটি নাড়তে পারেন।
জানা গেছে, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিসসের দিন বিকেলে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলিস্তান ও জিরো পয়েন্টে হঠাৎ করে যে বিক্ষোভ মিছিল করার চেষ্ঠা করা হয়েছে, সেখানে মাথায় সবুজ ফিতা বাঁধা বেশ কয়েকজন মাদ্রাসার ছাত্র, মাথায় লাল ক্যাপ ও প্যান্ট-গেঞ্জি পরা নানা বয়সী মানুষ অংশ নিয়েছে। এ মিছিলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীকেও দেখা গেছে। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ।
দলের একটি সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই প্রচার হয়- সরকার পতনের দাবিতে বিএনপি, জামায়াত ও বামদলসহ আরো বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের কিছু নেতা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এ জন্য তারা ১৪ ডিসেম্বরকেই বেছে নেন মাঠে নামার জন্য। এ খবর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছলে সেখান থেকে কঠোর বার্তা আসে। কেউ যেন এ কর্মসূচিতে অংশ না নেন, সেজন্য প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদেরও বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে এমন কর্মসূচি করায় শওকত মাহমুদকে শোকজ করা হয়েছে বলে দলের একটি পক্ষ প্রচার করছে। তবে এর সত্যতা যাছাই করতে গেলে দলের সিনিয়র কোনো নেতা কথা বলতে চাননি।
শওকত মাহমুদ ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান হন। এর আগে তিনি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তিনি বতমানে বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে তিনি বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
অপরদিকে দীর্ঘদিন দলের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ১/১১-এর সময় বিএনপির সংস্কারপন্থি অংশের মহাসচিব ছিলেন। তবে ১/১১-এর পর স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকা- শুরু হলে অন্য সংস্কারপন্থিদের সঙ্গে তাকেও আবার দলে সক্রিয় হতে নির্দেশ দেয়া হয়। তিনি বর্তমানে দলের ভাইস চেয়ারমানের দায়িত্বে রয়েছেন। তবে দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সাংঠনিক কাজ দেওয়া হলে তা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে কৃষক দলের সাংগঠনিক কাজ মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি তা করতে পারবেন না বলে মনোভাব প্রকাশ করেন। বিভিন্ন সময়ে দলের সিনিয়র নেতাদের অসম্মান করেও বক্তব্য দিয়েছেন এই নেতা। এইসব বিবেচনায় তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে বিএনপির দফতর জানায়।
এ ব্যাপারে দফতরের দায়িত্বে নিয়োজিত দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ১৫ ডিসেম্বর ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, একটা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী কখনোই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে পারে না। প্রত্যেকটা দলের একটা ডিসিপ্লিন আছে। দলের নেতাকর্মীরা এটা মেনেই চলতে হয়। আমাদের মধ্যে নানা ‘ডিফারেন্স অব অপিনিয়ন’ (নানা মত) থাকতে পারে, সেটা হাউজের মধ্যে। ওপেন কোনো জায়গায় তো আমরা কোনো কথা বলতে পারি না। তিনি বলেন, ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে কেউ নন।
এ ব্যাপারে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘দল কখন বিক্ষোভ করবে, এটা তো দল ঠিক করে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয় এ ব্যাপারে। কখন কর্মসূচি দেওয়া হবে, কখন হবে নাÑএটাও দল ঠিক করে। সেখানে আলাদা করে কয়েকজন মিলে বিক্ষোভের কোনো সুযোগ নেই’।
তিনি বলেন, শোকজের প্রভাব দলে পড়বে না। দল আগের চেয়ে সংগঠিত আছে। তবে শোকজের পর তারা কী করবে, এটা দিন গেলেই স্পষ্ট হবে’।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*