Main Menu

বার্মিংহাম সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে চতুর্থ সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত

বার্মিংহাম সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে চতুর্থ সাহিত্য সম্মেলন গত ৮ই মে স্থানীয় বিয়ে লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কবি সৈয়দ ইকবাল, উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সাংবদিক কাজী জাওয়াদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সৈয়দ মাসুম ও শাহিদুর রহমান সুহেল। ৪র্থ সাহিত্য উৎসবে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ,ইউ এন ডি পির সাবেক পরিচালক বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ডঃ সেলিম জাহান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি শামিম আজাদ, সমাপনি বক্তব্য রাখেন কমরেড মসুদ আহমেদ। আলোচনায় অংশ নেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, মকবুল চৌধুরী, কবি আবু মকসুদ।

অনুষ্ঠানে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে আগত কবিরা স্বরচিতা কবিতা পাঠ করেন কবিতা ও ছড়া পড়েন আবু মকসুদ, আহমেদ হোসেন হেলাল, নূরুল হক, নাসির উদ্দিন হেলাল, সৈয়দ শাহনুর আহমদ, ইবাদুল ইসলাম ফয়সল, শফিকুর রহমান শাহজাহান, জুনায়েদ আন্দ্রে, এম এ ওয়াদুদ ও সৈয়দ অধ্যাপক ইকবাল প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি কে অংশগ্রহণ করেন শেখ রওশনারা নিপা, সাইফুর রাজা চৌধুরী, কবি সৈয়দ আনোয়ার রেজা, মাসুমা খাতুন, আজাদ চৌধুরী ও ফারজানা আক্তার সহ অন্যরা। সম্মেলনের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন মোহাম্মদ মারুফ ও সৈয়দ নাসির। উৎসবে সঙ্গীত পরিবেশন করেন কন্ঠ শিল্পী রুজী সরকার শ্বেতাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী গ্লেন আর্মস্ট্রং। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের প্রজন্ম আমরা যুথবদ্ধভাবে বড় হয়েছি। আমরা একে অপরকে শাণিত করেছি, ঋদ্ধ করেছি। তাই নতুন প্রজন্মেকেও আমি বলতে চাই যুথবদ্ধভাবে সকল অপমক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। কতগুলো চেতনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম। এবং সেইসব চেতনার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে অর্জন করেছি। তারমধ্যে মু্ক্তিযুদ্ধ আছে, স্বাধীনসতা সংগ্রাম আছে। কিন্তু এই মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের একটা একক বৈশিষষ্ট্য হচ্ছে আমাদের যুথবদ্ধতা। আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধ করেছি তখন কে হিন্দু কে মুসলমান একথা কিন্তু বড় করে দেখিনি। কে ধনী কে দরিদ্র এটা কিন্তু বড় করে দেখিনি আমরা সবাই বাঙাল হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সুতরা আজকে আমাদের মাঝে নানান রকম বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে, মতের অমিল থাকতেই পারে, সবাই যদি একমত হয়ে যাই তাহলে কিন্তু পৃথিবীটা বিবর্ণ হয়ে দাঁড়াবে, মতের প্রভেদ থাকবেই, পথেরও প্রভেদ থাকবে কিন্তু তারজন্যে আমরা কিন্তু পরষ্পরকে ঘৃণা, বিভাজিত করবো এটা যেনো না হয়। সুতরাং দেশে এবং বিদেশে যুথবদ্ধভাবে সকল ধরণের অপশক্তিকে যেনো প্রতিহত করতে পারি। বাংলাদেশ তার ৫০ বছর অতিক্রম করেছে, একটা দেশের জীবনীর জন্য এটা খুব অল্প সময়। সুতরাং আগামী ৫০ বছর আমরা কি করবো, এবং আমরা একত্রে করবো, যুথবদ্ধভাবে করবো। আমি বলি যখন কিছু ছিল না সেখান থেকে যদি আমরা কিছু করতে পারি, একটা দেশ গড়তে পারি তাহলে বর্তমানেও আমাদের কিছু না থাকলেও আমরা সেখান থেকে আবার ৫০ বছরের দিকে ফিরে তাকাতে পারি।