Main Menu

প্রবাসীদের আইনি সহায়তায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল দাবি

Sharing is caring!

প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা পালন করছে। অথচ দেশের বাইরে থাকার কারণে তাদেরকে জমি ও অন্যান্য সম্পত্তি আত্মসাৎসহ নানা জটিলতায় পড়তে হয় প্রায়ই। এসব কারণে প্রয়োজন হয় আইনি সহায়তা। অনেক সময় দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আইনের আশ্রয় নিতে পারেন না প্রবাসীরা। কারণ তাদের পক্ষে দেশে গিয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকা সম্ভব হয় না। আর এসব কারণেই প্রবাসীদের জন্য নানা ধরণের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে দেশে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানানো হয়েছে একটি মতবিনিময় সভা থেকে।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে বৃহস্পতিবার এই আলোচনা অনুষ্ঠান ও মতবিনিময়ের আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এর নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার। এই মানবাধিকার সংগঠনটির বাংলাদেশের প্রধান ও বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট মনজিল মোর্শেদ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এটর্নি খাইরুল বাশার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মনির হোসেন পাটোয়ারি, জাহাঙ্গির সরকার, এডভোকেট মোর্শেদা জামান, ফাতেমা নূর, সংগঠনের নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের বিদায়ী সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবুলসহ অনেকে। এই অনুষ্ঠানে এডভোকেট ম জাকির মিয়াকে সভাপতি এবং এম রহমান কিবরিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এডভোকেট মনজিল মোর্শেদ তার আলোচনায় প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত হন। এসময় তিনি বলেন, প্রবাসীদের যেকোন ধরণের আইনী সহায়তা দিতে তাদের সংগঠন বাংলাদেশের নানান উদ্যোগ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন হাওলাদার তার উপর দেয়া রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য বর্তমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানান। তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালের দোসরা অক্টোবর সেনা এবং বিমান বাহিনীর কিছু সদস্যের মাধ্যমে একটি সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা হয়েছিল। অনেকের মতো সেই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন তখন বিমান বাহিনীতে কাজ করা আলতাফ হোসেন হাওলাদার। সেই অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে সেনানিবাস থেকে আটক হয়েছিলেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, “প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে প্রথমে ফাঁসির আদেশ দেয়া হলেও, দীর্ঘদিন আমাকে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছিল। পরে মুক্তি পেলেও, এখনও রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা ঝুলছে মাথার ওপর। মৃত্যুর আগে এই অভিযোগ থেকে মুক্তি চাই আমি।”

মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন হাওলাদারের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এডভোকেট মনজিল মোর্শেদ প্রতিশ্রুতি দেন দেশে ফিরে বিষয়টি নিয়ে কাজ করবেন তিনি। এডভোকেট ম জাকির মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশে প্রবাসীদের জন্য দ্রুত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কী করা যেতে পারে তার ওপর নানা পরামর্শ দেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*