Main Menu

পুলিশের অস্ত্র নিয়ে পুলিশকেই গুলি, অতঃপর…

পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে পুলিশকেই গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা দুষ্কৃতকারীর। পূর্ব মেদিনীপুর, ভারত, ৪ অক্টোবর। (সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ থেকে সংগৃহীত ছবি)

পুলিশ ভ্যানে করে চার দুষ্কৃতকারীকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ভারতের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাঁথি মহকুমা আদালতে নেওয়া হয়। এই দিন ছিল দুষ্কৃতকারীদের মামলার শুনানি। দুষ্কৃতকারীদের মধ্যে ছিলেন কাঁথির দাগি আসামি কর্ণ বেরা।

পুলিশ ভ্যান থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে সিনেমাটিক কায়দায় হঠাৎ এক পুলিশ সদস্যের রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন কর্ণ বেরা। এতে পুলিশের সদস্য সুশান্ত রানা গুরুতর আহত হন। এ সময় কাঁথির আদালত চত্বরে মোটরসাইকেলে অপেক্ষা করছিলেন দুষ্কৃতকারী কর্ণের সহযোগীরা। তাঁরা বোমার বিস্ফোরণ ঘটালে মুহূর্তে ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় আশপাশ এলাকা। সেই সুযোগে দুই সহযোগীর মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান কর্ণ।

হত্যা মামলার আসামি কর্ণ বেরা বন্দী ছিলেন কারাগারে। তাঁর বিরুদ্ধে মহিষাদলের পুলিশ কনস্টেবল নবকুমার মাইতিকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কর্ণের বিরুদ্ধে আছে বেশ কয়টি খুন ও ডাকাতির মামলা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ ও স্থানীয় মানুষ পিছু নেয় কর্ণের। কিন্তু কাঁথি বাজারে আসার পর কর্ণের মোটরসাইকেলটি বিকল হয়ে পড়ে। কর্ণ ভিড়ের মধ্যে পালিয়ে যেতে থাকলে এলাকাবাসী কর্ণকে চিনতে পেরে তাঁর পিছু নেয়। এ সময় কর্ণ তাঁর হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়তে থাকেন। এরপর এলাকার রথতলা মোড়ের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ঢুকে পড়েন কর্ণ। এরই মধ্যে এলাকার লোকজনের ভিড় জমে যায়। পুলিশ এসে মাইকে কর্ণকে আত্মসমর্পণ করার কথা বললে তিনি এতে কর্ণপাত করেননি। এদিকে কর্ণের পিস্তলের গুলি শেষ হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে তাঁর পায়ে গুলি করে পুলিশ। এতে কর্ণ আহত হন। পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান কর্ণ। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কাঁথি থানায়।