Main Menu

পপ-সংস্কৃতির যুগে সত্যিই হিজাবকে আমার সুরক্ষা-কবচ হিসেবে মনে করি: রাজিয়া হামিদী

Sharing is caring!

কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং কুইবেক প্রদেশের বৃহত্তম শহর মন্ট্রিয়ালের মুসলিম নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। তাদের কেউ শিক্ষিকা,সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ,সমাজ কর্মী অথবা পুলিশ অফিসার হয়ে থাকেন। কিন্তু তাদের সকলের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি সাধারণ তা হচ্ছে তারা সকলেই তাদের হিজাব নিয়ে গর্ববোধ করেন। তাদের সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনা হয়ে থাকে কিন্তু সাধারণত কোনো আলোচনায় তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হয় না।

বাংলামেইলের পাঠকদের জন্য তেমনই এক নারীর গল্প তুলে ধরা হল।

কুইবেক রাজ্যের ব্রোসার্দ অঞ্চলের সমাজ কর্মী ৩২ বছর বয়সী রাজিয়া হামিদী:-

হিজাব একটি বৈষম্যের চিহ্ন, তিনি কিভাবে এমন ভুল ধারণার মোকাবেলা করেন?

রাজিয়া হামিদী বলেন, ‘যেসকল মানুষ হিজাবের বিরোধিতা করেন তাদের নিকট থেকে এ ধরনের যুক্তি শুনতে আসলে হাস্যকর মনে হয়। আমি শুধুমাত্র এসব প্রশ্নে ঘুরে দাঁড়াই এবং বলি- যখন আপনি ঘুম থেকে জেগে উঠেন তখন আপনি যা পরিধান করেন তা সম্পর্কে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নেন কিনা?

আর দিন শেষে সকলেই কিছু না কিছুর প্রতি নিজেদের সমর্পণ করেন। আর আমি আমার সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিজেকে সমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি এমন পোশাক পরিধান করাকে পছন্দ করি যার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার আনুগত্য করা যায়।

হিজাব পরিধান করা তার নিজের সিদ্ধান্ত:
‘এটি অনেকটা আমার বেড়ে ওঠার সাথে সাথে প্রাকৃতিকভাবেই হয়ে যায় এবং আমি আধ্যাত্মিক ভাবে ঠিক যেখানে গিয়ে পৌঁছবো তা নির্ধারণ করে দেয়। হিজাব আমাকে আমার উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকাকালীন সুরক্ষা দিয়েছিল।’

‘আমি মনে করি বর্তমান সময়ের পপ-সংস্কৃতির যুগে আপনার আশে পাশে অনেক ধরনের বার্তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এবং নিজেকে কিভাবে সুন্দর দেখায় তাতে আপনি যখন একবারে আবেগে মগ্ন হয়ে পড়েন তখন হিজাব আপনাকে এসব কিছু থেকে মুক্তি দিতে পারে।’

‘উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সময়ে সাধারণত শিক্ষার্থীরা যা করে তা থেকে হিজাব আমাকে অনেকটা সুরক্ষিত করে রেখেছিল। সুতরাং আমি সত্যিই একে আমার সুরক্ষা কবচ হিসেবে মনে করি।’- শেষে রাজিয়া হামিদী এমনটি বলেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*