Main Menu

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পিতা-পুত্রসহ নিহত ৪

Sharing is caring!

টেকনাফে বিজিবি-পুলিশের সঙ্গে ইয়াবা কারবারিদের পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ ডাকাত সরদার আবদুল হাকিমের ভাই ও পিতা-পুত্রসহ ৪ মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। বিজিবি ও পুলিশের দাবি তারা সকলেই মাদক কারবারি ও ডাকাতি কাজের সঙ্গে জড়িত। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতরা হলেন, টেকনাফ পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও রোহিঙ্গা নাগরিক আবদুল জলিলের পুত্র নজির আহমদ ওরফে নজির ডাকাত (৪০), টেকনাফ সদরের দক্ষিণ ডেইলপাড়ার মৃত কালা মিয়ার পত্র আবদুস শুক্কুর (৫০) ও আবদুস শুক্কুরের পুত্র মো. ইলিয়াছ (৩০), হোয়াইক্যংয়ের হাজী মো. জকরিয়ার পুত্র গিয়াস উদ্দিন (৩০)। এ সময় পুলিশ-বিজিবি’র ৫ জন সদস্য আহত হয়েছে।

জানা যায়, ১লা মার্চ ভোররাত ৩টার দিকে টেকনাফ থানা পুলিশের হাতে আটক ডাকাত, ইয়াবা কারবারি ও সন্ত্রাসী পৌর এলাকার চৌধুরী পাড়ার আবদুল জলিলের পুত্র নজির আহমদ (৩০) ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার হাজী মোহাম্মদ জাকারিয়ার পুত্র গিয়াস উদ্দিন (২৯)কে নিয়ে পুলিশের বিশেষ দল বটতলী সংলগ্ন নাফনদীর সুলিশ গেইট এলাকায় অভিযানে গেলে তাদের অনুসারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় টেকনাফ থানা পুলিশের এসআই সুজিত চন্দ্র দে, এএসআই খায়রুল, কনস্টেবল এরশাদুল ও হেলাল উদ্দিন আহত হয়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে নজির ও গিয়াস গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল হতে ৬ হাজার ইয়াবা, ৩টি দেশীয় তৈরি অস্ত্র, ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৩ রাউন্ড খালি খোসা উদ্ধার করা হয়। গুলিবিদ্ধ নজির ও গিয়াসকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

তাদের মৃতদেহ পোস্ট মর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

অপরদিকে ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের নায়েক সুবেদার মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে ১টি টহল দল দ্রুত সাবরাং মগপাড়া কাঁকড়া প্রজেক্ট এলাকায় গেলে ইয়াবা পাচারকারীরা টহলদলের উপর অতর্কিতভাবে গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। এ সময় বিজিবি টহলদলের একজন সদস্য আহত হয়। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ৮-১০ মিনিট গুলিবিনিময় হয়। একপর্যায়ে ইয়াবা পাচারকারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে এক লাখ পিস ইয়াবা, ১টি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও ১টি খালি কার্তুজ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের খোনকারপাড়ার কালা মিয়ার পুত্র আবদুস শুক্কুর (৪৩) ও আবদুস শুক্কুরের পুত্র মো. ইলিয়াছ (৩০) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত বিজিবি সদস্যকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিজিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে পৃথক মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিরাজদিখানে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত
সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, সিরাজদিখানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ পুলিশ আহত হয়। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ফুলহার এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ ডাকাত সেলিম ওরফে সেইল্ল্যা ডাকাতকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গুলিবিদ্ধ আহত ৩ পুলিশ সদস্য এস আই হাসান আক্তার, কনস্টেবল মো. রাসেলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এবং কনস্টেবল মেহেদীর কোমরের পিচনে গুলির আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ডাকাত সেলিম খুন, হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি। তার বাড়ি ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ থানার রুহিতপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রামে। সে ঐ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
সিরাজদিখান থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন জানান, ফুলহার নদীর ওপার চরে নৌডাকাত দল রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে শেখরনগর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সাইফুল, এস আই হাসানসহ পুলিশের একটি টিম নদীপথে ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এ সময় ৩ পুলিশ আহত হয়। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে ডাকাত সেলিম গুলিবিদ্ধ হয়। বাকি ২/৩ জন পালিয়ে যায়। এসময় ধারালো অস্ত্র ও একটি রাইফেল ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*