Main Menu

জামায়াতকে জোটে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি

জাতীয় নির্বাচনের আগে আন্দোলন ইস্যুতে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে বিএনপি। এ সংলাপের পরই নতুন জোট গঠন করা হবে। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এজেন্ডা না মেলায় তাদের এই জোটে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড।
চলতি বছরের ২৪ মে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। ঐ সংলাপে ২৩টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল জেএসডি, গণফোরামের একাংশ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), লেবার পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় দল, মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক দল (ডিএল), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ইসলামিক পার্টি, পিপলস লীগ, ন্যাপ-ভাসানী ও বাংলাদেশ ন্যাপ।

বিএনপি স্থায়ী কমিটি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফার সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচনের আগে আন্দোলনের ইস্যু নিয়ে এজেন্ডা তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া জামায়াতকে জোটে না রাখার সিদ্ধান্ত নেন সমমনা দলগুলোর নেতারা।

সূত্র জানিয়েছে, এবারের সংলাপেও সেই এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হবে। সংলাপ শেষে জামায়াতকে ছাড়াই সমমনা দলগুলোকে নিয়ে রাজনৈতিক জোট গঠন করবে বিএনপি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতকে ছাড়া জোট গঠন বিএনপির রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। জামায়াতবিহীন এই সংলাপ লোক দেখানো। গোপনে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ রয়েছে। দুই দলই প্রকাশ্যে জোট ছাড়ার কথা বলে আর গোপনে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা করে।