Main Menu

গোলাপগঞ্জে একের পর এক অজ্ঞাত লাশ, এলাকায় আতংক

সিলেটের গোলাপগঞ্জে একের পর এক অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। উদ্ধারের পর এসব লাশের কোনো পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। মাত্র দুদিনের ব্যবধানে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি লাশ।

সর্বশেষ মঙ্গলবার উপজেলার বাঘা তুড়গাঁও এলাকার সুরমা নদী থেকে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া এ লাশের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের তুড়ুকগাও এলাকার সুরমা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে খবর দেয়। কবর পেয়ে থানার ওসি (অপারেশন) দেলওয়ার হোসেন একদল পুলিশ নিয়ে নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধারের সময় লাশের পরণে ছিল লুঙ্গি, লাল রঙের শার্ট ও পায়ে স্যান্ডেল। তাৎক্ষণিক লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ওসি (অপারেশন) দেলোয়ার হোসেন।

এর আগে রোববার সুরমা নদী দিয়ে ভেসে যাওয়ার সময় অর্ধগলিত একটি লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশটি উদ্ধারের পর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এর আগে বাঘা রস্তমপুর ব্রিজের নিচ থেকে ৮ অক্টোবর ভোরে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশটি সিলেট নগরীর মানিক পীর টিলায় দাফন করা হয়।

পরে অনেক তদন্তের পর লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। উদ্ধার হওয়া লাশটি কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের গোরকপুর গ্রামের ফয়জুর রহমানের ছেলে মাওলানা মুহিবুর রহমান (৫০) বলে জানা গেছে।