Main Menu

কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর প্রথম জানাজা ব্রিকলেন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা, বর্ষীয়ান লেখক, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও জনপ্রিয় কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মে) স্থানীয় সময় বাদ জুমা লন্ডনের ব্রিকলেন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ অংশ নেন। জানাজায় ইমামতি করেন ব্রিকলেন জামে মসজিদের খতিব নজরুল ইসলাম।

এরপর সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্যে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনারে। প্রথমে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম। এরপর একে একে শ্রদ্ধা জানায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রিপোটার্স ইউনিটি ও বিভিন্ন সংগঠন।

আগামী বৃহস্পতিবার ভাষা সৈনিক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহে দেশে পৌঁছাবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৯ মে) স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ৭টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী।

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী স্বনামধন্য এ সাংবাদিক স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক জয় বাংলার প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা।

১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন। ১৯৫০ সালে গাফফার চৌধুরী পরিপূর্ণভাবে কর্মজীবন শুরু করেন। ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।