Main Menu

এরদোয়ানের টেলিফোনে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন ট্রাম্প!

Sharing is caring!

সিরিয়ায় কুর্দি নিয়ন্ত্রিত বেশ কিছু এলাকা থেকে রোববার রাতে হঠাৎ করে আমেরিকা তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে তুরস্ক যে কোনো সময় সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে, এবং যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে জড়াতে চায় না।

হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হচ্ছে, ‘তুরস্ক খুব শীঘ্রই তাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী উত্তর সিরিয়ায় সামরিক অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে … মার্কিন সৈন্যরা এই সংঘাতে জড়াতে চায় না। আইসিসকে পরাজিত করার পর এই অঞ্চলে মার্কিন সৈন্যরা আর থাকবে না।’

কিন্তু মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ফলে তুরস্কের জন্য কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান চালানোর সুযোগ তৈরি হলো। অথচ কিছুদিন আগ পর্যন্তও কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ মিলিশিয়ারা ছিল মার্কিন বাহিনীর প্রধান মিত্র। সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এসডিএফ মিলিশিয়ারা মার্কিনীদের সাথে যুদ্ধ করেছে। তবে সম্প্রতি কুর্দি মিলিশিয়ারা অভিযোগ করছিল, নিজেদের স্বার্থ হাসিলের পর ওয়াশিংটন তাদের অঙ্গীকার পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

‘আমেরিকা পিঠে ছুরি মেরেছে’

এখন আমেরিকা তাদের সৈন্যদের সরিয়ে নেবার পর ক্ষুব্ধ কুর্দি মিলিশিয়ারা বলেছে ওয়াশিংটন তাদের পিঠে ‘’ছুরি মেরেছে’। এসডিএফের একজন মুখপাত্র আরবি টিভি চ্যানেল আল হাদাতকে বলেছেন, ‘আমেরিকা আমাদের আশ্বস্ত করেছিল যে এই অঞ্চলে তুরস্কের সামরিক অভিযান তারা করতে দেবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে আমরা বিস্মিত হয়েছি। এসডিএফের জন্য এটা পিঠে ছুরি মারার সামিল।’

 






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*