Main Menu

ঈদে নতুন জুতা পরে পায়ে ফোসকা পড়লে যা করবেন

ঈদে নতুন জামার সঙ্গে নতুন জুতা না হলে কী আর চলে! কিন্তু নতুন জুতা পরলে অনেকের পায়েই ফোসকা পড়ে যায়। খুবই ব্যথা এবং যন্ত্রণায় ভুগতে হয় ফোসকা পড়লে। ফোসকা ফেটে গেলে আবার স্থানটি ঘা তে পরিণত হতে পারে। তাই ফোসকার বিষয়টি হেলাফেলায় নেওয়া উচিত নয়।

পায়ে একবার ফোসকা পড়লে পরে তিন চারদিন চলাচল করা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। তবে কয়েকটি বিষয় মেনে চললেই সেরে যাবে ফোসকা। জেনে নিন করণীয়।

* ফোসকাতে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দিলে ঘষা খাওয়া থেকে রক্ষা পাবে। ব্যান্ডেজের আঠালো দুই প্রান্তকে এমনভাবে লাগিয়ে নিন যেন প্যাডের অংশটি ফোসকার ওপর উঁচু হয়ে থাকে। অর্থাৎ ব্যান্ডেজ দিয়ে ফোসকাকে এমনভাবে ঢেকে দিতে হবে যেন তা তাঁবুর মতো দেখায়। এই ঘরোয়া উপায়টি ফোসকাকে ঘষা খাওয়া, নোংরা বা জীবাণুযুক্ত কিছু থেকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি বাতাস চলাচলও নিশ্চিত করবে।

* ফোসকার একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া চিকিৎসা হলো ক্যাস্টর অয়েল। তুলা ক্যাস্টর অয়েলে ভিজিয়ে ফোসকায় লাগান। এতে ফোসকা দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

* ফোসকাতে অ্যালোভেরা জেল লাগালে লালতা ও ফোলা দ্রুত কমে যায়।

* প্রয়োজনে ফোসকাকে ফেটে ফেলতে হবে। বিশেষ করে ফোসকাটি বড় হলে অথবা অস্বস্তিকর স্থানে ওঠলে। ফোসকাকে ফাটতে একটি সুইকে জীবাণুমুক্ত করুন। তারপর ফোসকাটিকে ফেটে অ্যালকোহল দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। বাইরে বের হতে জুতা পরতে হলে ক্ষতস্থানটিকে ঢেকে ফেলুন। ঘরে থাকলে ক্ষতস্থানটি খোলা রাখুন, দ্রুত শুকাবে।

* নতুন জুতো পরার আগে পায়ে ভালো করে সরিষার তেল বা নারকেল তেল মেখে নিন। এর ফলে এতে পায়ে ফোসকা পড়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

* জুতার যে জায়গাগুলো শক্ত বলে মনে হবে, ওই স্থানে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে পায়ে ফোসকা পড়ার ঝুঁকি কমে যাবে।

* ফোসকাকে পরিষ্কার পরিবেশে বাতাসের সংস্পর্শে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠে। ঘরে থাকলে ব্যান্ডেজ খুলে ফেলুন- এতে ফোসকাটিতে বাতাস লেগে শুকানোর সুযোগ পাবে। সংক্রমণ এড়াতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল অয়েন্টমেন্টের হালকা করে লাগাতে পারেন, বিশেষ করে ফোসকা ফেটে গেলে।