Main Menu

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল (ভিডিও)

Sharing is caring!

১৯৮৬ বিশ্বকাপটা ছিল ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ। আর ওই বিশ্বকাপ আলোচিত-সমালোচিত হয়ে আছে ডিয়াগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’- এর কল্যাণে।

সেই বিশ্বকাপেই বিশ্ববাসী ম্যারাডোনার কাছ থেকে দেখেছিল ইতিহাস কাঁপানো দুই গোল।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ডের। ম্যাচে দুই পক্ষের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।

কিন্তু ম্যাচের ৫১ মিনিটে লাফিয়ে উঠে গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক ম্যারাডোনা। গোল করার পরপরই ম্যারাডোনা তার সতীর্থদের সঙ্গে গোল উদযাপনে মেতে ওঠেন। অবশ্য ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনসহ চার-পাঁচজন ইংলিশ ফুটবলার গোল বাতিলের দাবি জানিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন রেফারির দিকে।

কিন্তু ব্যাপারটি রেফারি সত্যিই বুঝে উঠতে পারেননি। পরে টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, গোলটি করার সময় ম্যারাডোনা হাত ব্যবহার করেন। ম্যারাডোনা পরে, এটি স্বীকার করে নিয়ে ‘হ্যান্ড অব গড’ বলে অভিহিত করেন।

এই বিতর্কিত গোলের পর আরেক অবিশ্বাস্য গোলের সাক্ষী হয় দর্শকরা। বিতর্কিত গোলের ঠিক চার মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোল করেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। যে গোলকে পরে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা গোল হিসেবে নির্বাচিত করে।

মাঠের অর্ধেকের বেশি অংশ দৌড়িয়ে, একে একে পাঁচজন ইংরেজ ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে কাটিয়ে গোল করেন ম্যারাডোনা। ২০০২ সালে ফিফা অনলাইনে ভোটের আয়োজন করলে এই গোলটি ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে নির্বাচিত হয়।

প্রসঙ্গত আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়াগো ম্যারাডোনা বুধবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এর আগে বেশ কয়েক দিন অসুস্থ ছিলেন তিনি।

তিগ্রে-তে নিজ বাসায় মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। গত মাসে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছিলেন ম্যারাডোনা। বুয়েনস এইরেসের হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। মস্তিষ্কে জমাট বেঁধে থাকা রক্ত (ক্লট) অপসারণ করা হয়েছিল।

তখন মাদকাসক্তি নিয়ে ভীষণ সমস্যায় ভুগেছেন ম্যারাডোনা। তাকে পুনর্বাসনের জন্য তাকে নেয়া হয়েছিল তিগ্রে-র একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*