Main Menu

আবারও ইউরোপে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, বরিস জনসনের সতর্ক বার্তা

Sharing is caring!

আবারো ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। যখন মনে হচ্ছিল মহামারি মহাদেশটিতে নিয়ন্ত্রণে চলে তখন সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। এশিয়ার মতোই নতুন করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে। এর ফলে দেশগুলো বাধ্য হচ্ছে নতুন করে বিধিনিষেধ জারি করতে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এখবর জানিয়েছে।

জার্মানির রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট সোমবার জানিয়েছে, দেশটিতে নতুন আক্রান্ত বৃদ্ধি পাওয়া খুবই উদ্বেগের। করোনা মোকাবিলায় সফল দেশগুলোর একটি মনে করা হতো জার্মানিকে। বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু হার ৪ শতাংশ হলেও জার্মানিতে ছিল শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। মধ্য এপ্রিলের দিকে দেশটিতে ২০ লাখের মতো মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রতি সপ্তাহে ৪ লাখের মতো পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। দেশটির ‘আর রেট’ এক থেকে শূন্য দশমিক ৭ এ নেমে আসার পরই করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়।

লকডাউন শিথিল করার পর মে মাসে দেশটিতে দৈনিক শনাক্তের হার সর্বোচ্চ ৯০০ জনে পৌঁছেছিল। পরে তা কমে দিনে ৫০০ জনে নেমে আসে। কিন্তু শুক্রবার তা আবার ৮১৫ জনে পৌঁছেছে। সোমবার দেশটি জানায়, গত চারদিনে আর রেট ছিল এক দশমিক দুই আট এবং গত সাত দিনের আর রেট এক দশমিক এক শূন্য।

মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপে দ্বিতীয় দফা করোনা সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। স্পেন ফেরত বিমানযাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বলতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, যেখানে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে সেখানে আমাদের দ্রুত ও অবধারিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইউরোপের কী ঘটছে তা সম্পর্কে স্পষ্ট হোন। আমাদের কিছু ইউরোপীয় মিত্রদের মতো আমিও মহামারির দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত।

পুরো জুন মাসে স্পেনে দৈনিক নতুন শনাক্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে কম ছিল। স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার দেশটিতে ৮৫৫ জন শনাক্ত হয়েছেন। আরাগন ও কাতালোনিয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। তবে কর্তৃপক্ষ এটিকে দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ মানতে জানি নয়।

সিএনএন-এর খবরে বলা হয়েছে, গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যাতয়াতের কারণে নতুন শনাক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে থাকতে পারে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*